আমস্টারডামে বাংলাদেশীদের ৮তম পিঠা উৎসব
প্রকাশিত হয়েছে : ২:১২:৫১,অপরাহ্ন ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | সংবাদটি ২৬৭ বার পঠিত
নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অষ্টমবারের মতো জাঁকজমকের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে থাকা পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সামাজিক ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব স্বপ্না চৌধুরীর সার্বিক আয়োজনে গতকাল শনিবার (৪ঠা এপ্রিল ) স্থানীয় সময় বিকেলে অসড্রপ মিলনায়তনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মানে এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে প্রবাসে বেড়ে ওঠা তরুণ প্রজন্মকে পরিচিত করার লক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


মনমাতানো এ পিঠা উৎসব ও মিলনমেলায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার-পরিজন ও নেদারল্যান্ডসে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্টানের শুরুতেই আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পিঠা উৎসবের আয়োজক স্বপ্না চৌধুরী।
পিঠা উৎসবকে ঘিরে মেতে থাকে প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু–কিশোরেরা। ছিলেন কয়েকজন বিদেশিও।
পরিপাটি করে এসব সাজানো পিঠাপুলির গায়ে লাগানো ছিল হরেক রকমের নেমপ্লেট। অনুষ্ঠান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা ও প্রদর্শনকারীদের সাজসজ্জাও ছিল অন্য রকম। পুরুষের নকশি করা পাঞ্জাবি আর নারীদের লাল-সবুজের বাহারি শাড়িতে মুখরিত ছিল পিঠা উৎসবের নান্দনিক পরিবেশ।
এ সময় পিঠা উৎসবকে মনে হয় বিদেশের মাটিতে এক টুকরো বাংলাদেশ।
বক্তারা বলেন, পিঠাপুলির দেশ বাংলাদেশ। পিঠাপুলি এ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। পিঠাপুলি ছাড়া বাঙালীয়ানা যেন ভাবাই যায় না। কথায় আছে, বাঙালির পিঠা লাগে মিঠা। বাঙালির ঐতিহ্যগত কারণে ঋতুর সঙ্গে পিঠার অন্য রকম যোগসূত্র আছে। তাই বাঙালীয়ানাকে আমরা বরণ করে নিই পিঠা উৎসবের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন,শ্যামল শীল, আলিশা নুরী, শিপ্রা মন্ডল ও শিশু শিল্পী সমৃদ্ধা প্রমুখ।
নৃত্য পরিবেশন করে শামিমা আক্তার জেসি, শ্রদ্ধা ,শানিন্দ।
পরে পিঠা উৎসবে পিঠা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী লিজা,মায়া চৌধুরী,মনি হোসেন, বালিশ খেলায় বিজয়ী জায়েদ আলম,মো:মামুন,কামাল হোসেন ও শিশুদের চেয়ার দৌড়ে বিজয়ী সামারা,বেলোরিয়া এবং আকসার হাতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।













