বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিজয় করার লক্ষ্যে স্বদেশগামী ফ্রান্স নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়


আপডেট: ৩:৪১:৫৭, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, বুধ বার
বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিজয় করার লক্ষ্যে স্বদেশগামী ফ্রান্স নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

 

তৃতীয় বাঙলা প্রতিবেদক :

বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিজয় করার লক্ষ্যে স্বদেশগামী ফ্রান্স নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

রবিবার বিকালে প‍্যারিসের  ক‍্যাথসীমাস্থ ‘কুটুমবাড়ী’ রেষ্টুরেন্টে ফ্রান্স বিএনপি’র আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

মতবিনিময় সভায় ফ্রান্স বিএনপির ও ভ্রাতিপতিম সংগঠনের  বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ করেন ।

ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এইচ, এম রহিমের সভাপতিত্বে ও  ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুব আলম রাঙ্গা এবং ফ্রান্স বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মিছবার যৌথ পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিএনপি নেতা আব্দুল হাকিম । মোনাজাত ও দোয়া পরিচালনা করেন বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান বকুল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফ্রান্স বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি সিরাজুর রহমান ।

স্বদেশগামী নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফ্রান্স বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন পাটোয়ারী, ফ্রান্স বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা।

মতবিনিময় সভায় এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফ্রান্স যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমদ, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম, আলী চৌধুরী, জাসাস সদস্য সচিব মেহেদী হাসান রনি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে এ সময় ফ্রান্স বিএনপি ও ভ্রাতিপতিম সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের  নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায়
জাতির কল্যাণের স্বার্থে বিএনপির নেতৃত্ব অপরিহার্য সেই লক্ষ্যে প্রবাস থেকে বিএনপি’র আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে
আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয় করার লক্ষ্যে তাদের স্বদেশগমন দেশ এবং জাতির প্রতি ভালবাসার অন্যরকম বহিঃপ্রকাশ। বক্তারা আগামী নির্বাচনে দেশের জনগণ ধানের শীষকে বিজয় করে বিএনপিকে জনকল্যাণমূলক কাজ করার প্রত‍্যাশা ব‍্যক্ত করেন।

এসময় জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদ ফ্রান্সের পক্ষ থেকে স্বদেশ যাত্রী সবাইকে ধানের শীষের বেইজ উপহার প্রদান করা হয়।

স্বদেশগামী নেতৃবৃন্দরা হচ্ছেন, কবির হোসেন পাটোয়ারী,  রেজাউল করিম, মোঃ কবির আহমেদ, মোঃ আলম খান, মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ জুয়েল, মোহাম্মদ সহেল আরমান, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জ্যাকি, মোঃ হারুন ।

আইফেল টাওয়ারের কাছে হামলায় নিহত এক, আহত দুই


আপডেট: ১০:২৮:৪৫, ২২ নভেম্বর ২০২৫, শনি বার
আইফেল টাওয়ারের কাছে হামলায় নিহত এক, আহত দুই

বাংলাদেশিরা ‘দাস’ হিসাবে বিক্রি হচ্ছে লিবিয়ায়


আপডেট: ২:১৫:২১, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, শনি বার
বাংলাদেশিরা ‘দাস’ হিসাবে বিক্রি হচ্ছে লিবিয়ায়

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

ভালো পারিশ্রমিকের আশায় কয়েক বছর ধরে পাচারকারীদের সহায়তায় লিবিয়া যাচ্ছেন বাংলাদেশিরা। সেখান থেকেই ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারাচ্ছেন অনেক বাংলাদেশি। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এ প্রবণতা বন্ধ হয়নি।

এছাড়া প্রতারণার শিকার হয়ে লিবিয়ায় মানব পাচারকারীদের হাতে বহু বাংলাদেশি আটক অবস্থায় আছেন। তাদের সঙ্গে সেখানে অনেকটা ‘দাস’-এর মতো আচরণ করা হয়।

কারাগারে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়, শারীরিক নির্যাতন, খাবার না দেওয়া, মজুরি ছাড়া কাজ করানোসহ নানা দুর্ভোগ সহ্য করতে হয় তাদের। লিবিয়ায় থাকা এমন বাংলাদেশিদের দুর্দশা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি। আফ্রিকার সাংবাদিকদের কাছ থেকে বেশ কিছু চিঠি পাওয়ার পর বিবিসির ইসমাইল এইনাশে এক তরুণের সঙ্গে দেখা করেন।

সেখানেই সাক্ষাৎকারে তিনি লিবিয়ায় তার যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন। পরিচয় প্রকাশ না করে বিবিসি ওই তরুণের ছদ্মনাম দিয়েছে আলী। ২০১৯ সালে তার বয়স যখন ১৯ বছর, তখন তিনি তার বাবা-মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে কাজের খোঁজে লিবিয়ার উদ্দেশে ঝুঁকিপূর্ণ এক যাত্রা শুরু করেন।

এক দালালের সঙ্গে দেখা হওয়ার পরই আলী এ ব্যাপারে উৎসাহী হন। প্রকৃতপক্ষে এ দালালরা হলেন মানব পাচারকারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁদ পেতে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণ বাংলাদেশিদের আকৃষ্ট করে থাকেন তারা।

মুক্তিপণের জন্য আটক : লিবিয়ায় যেতে আলীর এক সপ্তাহ সময় লেগেছিল। বিমানবন্দরে নামার পরই একদল লোক তাকে নিয়ে যান। এসব লোক সেখানে দালালদের হয়ে কাজ করেন। তারা বিমানবন্দর থেকে আলীকে এক কারাগারে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর তারা আলীর কাছে থাকা অবশিষ্ট টাকাকড়ি নিয়ে নেন। এরপর মুক্তিপণ আদায়ের জন্য তাকে সেখানে আটকে রাখেন।

লিবিয়ায় এক কারাগারে ছেলে আটক থাকার খবর পান আলীর বাবা-মা। ছেলেকে মুক্ত করার জন্য বাড়িতে থাকা শেষ দুটি গরুও বিক্রি করে দেন তারা। ছোট একটি ঘরে বন্দি করে রাখা হয় আলীকে। যেখানে শোয়ার মতো কোনো বিছানাও নেই।

ওই কক্ষে তার মতো আরও ১৫ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের মধ্যে যারা মুক্তিপণের টাকা দিতে পারেননি, তাদের খেতে দেওয়া তো হয়ই না, উলটো নানাভাবে তাদের ওপর অত্যাচার ও নিপীড়ন চালানো হয়। আলী জানান, ‘আমার সামনেই তারা একজনকে মারধর করছিল। মার খেয়ে মুখ দিয়ে রক্ত পড়ছিল তার। তবুও তাকে সাহায্য করেনি বা হাসপাতালে নেয়নি।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় লিবিয়ায় পাচারকারীর হাতে বন্দি বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। ২০২০ সালের মে মাসে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির একটি গুদামঘরে একসঙ্গে ৩০ জন অভিবাসীকে হত্যা করা হয়। এর মধ্যে ২৬ জনই ছিলেন বাংলাদেশি। সেবার বেঁচে যাওয়া একজন বলেন, এসব মানুষের পরিবার মুক্তিপণের টাকা দিতে পারেনি বলেই তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়।

মজুরি ছাড়াই কাজ : অবশেষে যখন আলী মুক্ত, তখন বেনগাজিতে একটি পানি বোতলজাত কারখানায় তিন মাস মানব পাচারকারীদের জন্য কাজ করছিলেন। পাচারকারীদের হাত থেকে কোনোমতে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি চলে যান রাজধানী ত্রিপোলিতে।

সেখানে গিয়ে একটি টালি কারখানায় কাজ করতে শুরু করেন। বর্তমানে লিবিয়ায় থাকা আনুমানিক ২০ হাজার বাংলাদেশির অনেকের মতো আলীও অত্যাচারিত হয়েছেন। বেতন ও ছুটি ছাড়া অসহনীয়ভাবে কাজ করেছেন। আলী বলেন, ‘কাজ বন্ধ করলেই আমাদের মারধর ও লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হতো। কারখানার মালিকের সঙ্গেই থাকতেন আলী। তবে তাদের চোখের আড়াল হতে দিতেন না।

তালাবদ্ধ করে রাখা হতো সব সময়। আলী বলেন, ‘মালিক আমাদের কাজে নিয়ে যেতেন এবং কাজ শেষ হলে আমাদের সঙ্গে করে বাড়িতে নিয়ে আসতেন। আমাদের নজরদারির জন্য দুজন রক্ষীও ছিল। ওই কাজের জন্য আমাদের কোনো মজুরি দেওয়া হতো না।

এ ছাড়া সেখানে আমাদের পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হতো না। পরে লিবিয়ার এক নাগরিক আলীকে পালিয়ে একটি মসজিদে আশ্রয় নিতে সাহায্য করেন। এরপরও তার মনে হয়, তার একমাত্র উপায় হচ্ছে পাচারকারীদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ করা। এবার সিদ্ধান্ত নেন ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে যাবেন ইতালি।

সাগরে হাঙর : ছেলের ইতালি যাওয়ার কথা জানার পর আবার আলীর বাবা-মা ছেলের জন্য ঋণ করে সাড়ে তিন লাখ টাকার ব্যবস্থা করে দেন। গত বছরের জুলাই মাসে ভূমধ্যসাগর পাড়ির ঘটনা আলীর ও ডিঙি নৌকায় থাকা অন্য ৭৯ অভিবাসীদের জন্য আরেকটি ভয়ংকর অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত হয়েছিল।

আলী বলেন, ‘পুরো দুই দিন সাগর ছাড়া আমরা আর কিছুই দেখছিলাম না। হঠাৎ আমাদের কাছেই দুটি হাঙর দেখতে পেলাম। ওই সময় কেউ কেউ বলতে শুরু করলেন যে, হাঙরগুলো আমাদের খেয়ে ফেলার জন্য আসছে। আমি তখন মনে করেছিলাম, এবার বুঝি আমরা শেষ।’ ইতালির উপকূলীয় শহর সিসিলিতে স্থানান্তরের আগে ল্যাম্পেডুসা নামের একটি দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয় আলীদের। আলী এখন সিসিলির রাজধানী পলিমারোর উপকণ্ঠে একটি বড় অভিবাসী আশ্রয় শিবিরের বাসিন্দা। তার সঙ্গে অন্য অনেক দেশের এমন অনেক তরুণ রয়েছেন।

৪২ কোটির মুকুটসহ যা যা পাচ্ছেন নতুন মিস ইউনিভার্স


আপডেট: ২:০৯:৩৭, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, শনি বার
৪২ কোটির মুকুটসহ যা যা পাচ্ছেন নতুন মিস ইউনিভার্স

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

২০২১ সালে ‘মিস ইউনিভার্স’ হয়েছেন ভারতের চণ্ডীগড়ের তরুণী হারনাজ সান্ধু।

বিশ্বসেরা সুন্দরীর মুকুট নিজের করে নিয়েছেন তিনি। আর মুকুটের পাশাপাশি মিস ইউনিভার্স সংস্থা থেকে গোটা এক বছর ধরে নানান সুবিধা ভোগ করবেন তিনি।

এক বছরের জন্য নিউইয়র্কে একটি পেন্টহাউসে থাকার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

মিস ইউনিভার্স সংস্থার প্রধান ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে বিশ্বভ্রমণ করতে পারবেন।

মিস ইউনিভার্স হারনাজের ত্বক ও ডায়েটের জন্য বিশেষজ্ঞ, ব্যক্তিগত মেকআপ আর্টিস্ট থাকবে।

খাবার জিনিস থেকে পোশাক সবই পাবেন সংস্থার পক্ষ থেকে। সেখান থেকে তাকে মডেলিংয়ের জন্য একটি পোর্টফোলিও তৈরি করে দেওয়া হবে।

এর জন্য রাখা হবে বিশ্বের সেরা ফটোগ্রাফারদের। ফ্যাশন স্টাইলিস্ট, ত্বক এবং দাঁতের পরিষেবাও বিনামূল্যে পাবেন এই ভারতীয় তরুণী।

তবে এসবকে ছাপিয়ে গেছে মাথার মুকুটটি। এর দাম শুনলেই বিস্মিত হবেন সবাই।

এই মুকুটের দাম ৫ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২ কোটি টাকার বেশি!

মুকুটটির ওজন প্রায় এক কেজি। এর এতো দাম হওয়ার অন্যতম কারণ, এর রয়েছে ১ হাজার ৭৭০টি হীরকখণ্ড।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর রাতে ইসরাইলের এইলাটে ৭০তম মিস ইউনিভার্সের আসর অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্যারাগুয়ের নাদিয়া ফেরেইরা ও দক্ষিণ আফ্রিকার লালেলা এমএসওয়ানেকে পেছনে ফেলে সেরার মুকুট ছিনিয়ে নেন ২১ বছরের তরুণী হারনাজ।

২০১৭ সালে হারনাজ মডেলিং শুরু করেন। তিনি পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী। হারনাজ একাধারে হিন্দি, পাঞ্জাবি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ। তিনি পাঞ্জাবি ভাষায় শের লিখতে ভালোবাসেন। হারনাজের মা গাইনি চিকিৎসক।

তার অনুপ্রেরণাই হারনাজকে সাফল্য এনে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মায়ের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে হারনাজ লিখেছিলেন, ‘মা আমার স্বপ্নের নির্মাতা, সেই স্বপ্ন ছোঁয়ার অনুপ্রেরণাও তিনি।’

ইসরাইলের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় ভ্রমণ জটিলতার কারণে এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে কারও অংশ নেওয়া হয়নি।

ফ্রান্সে লক্ষাধিক ভুয়া হেলথ পাস


আপডেট: ২:০২:৪৫, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, শনি বার
ফ্রান্সে লক্ষাধিক ভুয়া হেলথ পাস

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

ফ্রান্সে লক্ষাধিক মানুষ করোনার ভুয়া হেলথ পাস নিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, করোনার স্বাস্থ্যবিধি থেকে এড়াতে ফ্রান্সের এক লাখ ১০ হাজার মানুষ এসব ভুয়া কোভিড হেলথ পাস নিয়ে ঘুরছেন। খবর আরব নিউজের।

এ নিয়ে তদন্ত নেমেছে দেশটির সরকার। দেশটির সরকার সম্প্রতি করোনা নেগেটিভ এমন সব ব্যক্তিকে হেলথ পাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ পাস থাকলে গণপরিবহণ, রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন বলেন, হাসপাতালের কর্মীরা বেশ কিছু অবৈধ কাজের সহযোগী বলে পুলিশের তদন্তে বের হয়ে এসেছে।

এ অপরাধে জড়িত সন্দেহে এ পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্যারিসের এক চিকিৎসককে ২২০টি জাল কোভিড সার্টিফিকেটসহ আটক করা হয়েছে। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

আল্লাহ আমাদের কেন পরীক্ষা করেন


আপডেট: ২:৪৮:৩৮, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
আল্লাহ আমাদের কেন পরীক্ষা করেন

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

বড় কিছু অর্জন করতে গেলে বড় কিছু বিসর্জন দিতে হয়। বড় কোনো পুরস্কার পেতে গেলে বড় ধরনের পরীক্ষা দিতে হয়। জান্নাতের মহাপুরস্কার লাভ করতে গেলে দুনিয়ায় বড় বড় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। তাই বহু ঈমানদারের জীবনে দুঃখ-কষ্ট ও বিপদাপদ লেগে থাকে। এর কারণ ব্যাখ্যা করে রাসুল (সা.) বলেন, মুমিনের জন্য দুনিয়া কারাগারসদৃশ ও কাফিরের জন্য জান্নাতসদৃশ। (মুসলিম, হাদিস : ২৯৫৬)

দুনিয়াবি কষ্টগুলো এক ধরনের পরীক্ষা। আল্লাহ কখনো সুখ-শান্তি দিয়ে পরীক্ষা করেন আবার কখনো রোগব্যাধি দিয়ে পরীক্ষা করেন। আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি তোমাদের মন্দ ও ভালো দিয়ে পরীক্ষা করে থাকি এবং আমার কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৩৫)

বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ আমাদের পরীক্ষায় ফেলেন। নিম্নে আল্লাহর পরীক্ষা গ্রহণের বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করা হলো—

১. গুনাহ মাফ ও পুরস্কার প্রদান : ইবরাহিম (আ.)-কে মহান আল্লাহ নানাভাবে পরীক্ষা করেছেন। সব পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন। মহান আল্লাহ তাঁকে এর যথাযথ প্রতিদান দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, আর স্মরণ করো, যখন ইবরাহিমকে তার রব কয়েকটি কথা দ্বারা পরীক্ষা করেন এবং সেগুলো সে পূর্ণ করেছিল। আল্লাহ বলেন, আমি তোমাকে মানবজাতির নেতা বানিয়েছি। সে বলল, আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও? আল্লাহ বলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালিমদের জন্য প্রযোজ্য নয়। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১২৪)

২. পরিশুদ্ধ করা : পরীক্ষার মাধ্যমে আল্লাহ উত্তমকে মন্দ থেকে পৃথক করে নেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা যে অবস্থায় আছ সে অবস্থায় আল্লাহ কোনোক্রমেই বিশ্বাসীদের ফেলে রাখবেন না, যে পর্যন্ত না তিনি ভালোদের থেকে মন্দদের পৃথক করেন। আর আল্লাহ অদৃশ্য সম্পর্কে তোমাদের কাছে গোচরীভূত করবেন না, তবে আল্লাহ তাঁর রাসুলদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা নির্বাচিত করেন…।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৭৯)

৩. মানবতার স্বরূপ প্রকাশ : ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিলিত শুক্রবিন্দু থেকে—তাকে পরীক্ষা করার জন্য। অতঃপর তাকে করে দিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন। আমি তাকে পথ দেখিয়ে দিয়েছি। হয়তো সে কৃতজ্ঞ হবে, না হয় অকৃতজ্ঞ।’ (সুরা : দাহর/ইনসান, আয়াত : ২-৩)

মূলত মানুষের প্রকৃত স্বরূপ তার কাছে স্পষ্ট করার জন্য আল্লাহ বিভিন্ন পরীক্ষা করেন।

৪. ধৈর্যশীলদের বাছাই করা : বিপদরূপী পরীক্ষার মাধ্যমে আল্লাহ মূলত তাঁর ধৈর্যশীল বান্দাদের বেছে নেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর আমি তোমাদের অবশ্যই পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পত্তি, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। আর আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদের।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৫৫)

৫. উত্তম আমলকারী নির্ণয় করা : ইরশাদ হয়েছে, ‘যিনি (আল্লাহ) সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য—কে তোমাদের মধ্যে কর্মে উত্তম? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।’ (সুরা : মুলক, আয়াত : ২)

এ ছাড়া আরো বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ মানুষকে পরীক্ষা করেন।

প্যারিসে সাহিত্যিক লোকমান আহম্মদ আপনের দু’টি গ্রন্থের পাঠন্মোচন


আপডেট: ২:২০:৫০, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
প্যারিসে সাহিত্যিক লোকমান আহম্মদ আপনের দু’টি গ্রন্থের পাঠন্মোচন

শাবুল আহমেদ

শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিখ্যাত ভালোবাসার শহর প্যারিসে রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে জনপ্রিয় ছড়াকার, শিশুসাহিত্যক ও কবি লোকমান আহম্মদ আপন-এর সদ্য প্রকাশিত দুটো বইয়ের পাঠন্মোচন। কবিতা ও সাহিত্যের টানে আনন্দঘন এ পাঠন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্যারিস ও প্যারিসের আশেপাশের শহরের বিভিন্ন পর্যায়ের কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ।
কবি ও সংস্কৃতিজন বদরুজ্জামান জামানের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় লোকমান আহম্মদ আপনের সদ্য প্রকাশিত দুটো বই ’সুখবিলাসী (কবিতা) ও ’সত্যটা চিল্লায়া কন (সমকালীন ছড়া ৩) নিয়ে আলোচনা, বইগুলোর ছড়া কবিতা আবৃত্তি ও ব্যাপক আড্ডায় অংশগ্রহণ করেন উপস্থিত সকলেই।

শুরুতেই লেখকের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করে শোনান সাংবাদিক-কবি শাহ সুহেল আহমদ। তারপর আলোচ্য বইদুটো নিয়ে আলোচনা ও কবিতা পাঠ করেন লেখক-কবি মোহাম্মদ গোলাম মুর্শেদ। লোকমান আহম্মদ আপনের সদ্য প্রকাশিত বই সুখবিলাসী থেকে ‘সুখের খরা’ কবিতাটি ফরাসী অনুবাদ করেছেন বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসনাত জাহান। তিনি স্বকন্ঠে ফরাসী অনুবাদটি আবৃত্তি করার পাশাপাশি বইদুটো এবং বইয়ের লেখক লোকমান আহম্মদ আপন সম্পর্কে আলোচনা করেন। এরপর একেএক বইদুটো এবং এর লেখক সম্পর্কে আলোচনা ও বইয়ের ছড়া কবিতা আবৃত্তির মাধ্যদিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে প্রাণবন্ত এই অনুষ্ঠানটি।
আবৃত্তি ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্যারিসের তারকা আবৃত্তিশিল্পী ও উপস্থাপক সাইফুল ইসলাম, উপস্থাপক ও বাচিকশিল্পী মুনির কাদের, মঞ্চাভিনেতা ও আবৃত্তিশিল্পী সোয়েব মোজাম্মেল, কবি ও সম্পাদক বদরুজ্জামান জামান, এ্যাড. রমেন্দ্র কুমার চন্দ, সাহিত্যনুরাগী আহমেদ সেলিম, শিল্পী ইশরাত ফ্লোরা, কবি আব্দুল আজিজ সেলিম, সাংবাদিক শাবুল আহমেদ ও সংস্কৃতিকর্মী মোমেন আহমেদ প্রমুখ। পরিশেষে লোকমান আহম্মদ আপন ফরাসী কবি পল ভেখলেইনের একটি কবিতা আবৃতি করেন। পাশাপাশি তিনি নিজের করা ফরাসী সেই কবিতাটির বাংলা অনুবাদ আবৃত্তি করে শোনান এবং অনুষ্ঠানটির আয়োজক এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

 

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সৌদি নাগরিকত্ব পেলেন মুখতার আলম


আপডেট: ২:১১:৩০, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সৌদি নাগরিকত্ব পেলেন মুখতার আলম

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

চট্টগ্রামের লোহাগড়ার মুখতার আলম সৌদি সরকারের ঘোষিত প্রতিভাবান ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাক্তিদের নাগরিকত্ব প্রদান কর্মসূচির প্রথম কাতারে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সৌদি নাগরিকত্ব পেলেন। নাগরিকত্ব প্রদানের পর তাকে সংবর্ধনা দিয়েছেন ড. শায়ক আব্দুর রহমান সুদাইস।
১৪ নভেম্বর রোববার মক্কা-মদিনা অধিদপ্তরের প্রেসিডেন্ট ও মক্কার গ্র্যান্ড ইমাম প্রফেসর ড. শায়খ আবদুর রহমান সুদাইস অধ্যাপক মোখতারের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। পরে বক্তব্যে মুখতারের নেতৃত্বে একটি স্বতন্ত্র আরবি ক্যালিগ্রাফি একাডেমি এবং কাবার গিলাফের ক্যালিগ্রাফি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য প্রপোজল তৈরির আদেশ দিয়েছেন শায়খ।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষিত ‘ভিশন-২০৩০’-এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন পেশার দক্ষ বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার এ রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়।


নাগরিকত্ব পাওয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে আরও আছেন, ইতিহাসবিদ ড. আমিন সিদো, ড. আবদুল করিম আল সামমাক, প্রখ্যাত গবেষক ড. মুহাম্মদ আল বাকাই ও প্রখ্যাত নাট্যশিল্পী সামান আল আনি।
সৌদি আরবের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদনে আরোও বলা হয়, মুখতার আলম বর্তমানে সৌদি আরবের মক্কার কিসওয়াহ কারখানায় প্রধান ক্যালিগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী এবং ফোরামে তার প্রধান ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রদর্শিত হয়েছে। ক্যালিগ্রাফি দক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পাঠদান করেন। মক্কার দ্য ইনস্টিটিউট অব হলি মস্ক তথা পবিত্র মসজিদুল হারাম পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে ক্যালিগ্রাফি বিষয়ক তার পাঠ শেখানো হচ্ছে।

বিয়ে নিয়ে আমার দুশ্চিন্তা ছিল : মালালা


আপডেট: ১:৫৮:২৫, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
বিয়ে নিয়ে আমার দুশ্চিন্তা ছিল : মালালা

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

গত সপ্তাহে আসার মালিক নামে একজন পাকিস্তানি যুবককে বিয়ে করেছেন নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই। তবে বিয়ের পর অন্য একটি কারণে তিনি বেশি আলোচনায় আছেন। মূলত মাস কয়েক আগে তিনি বিয়ে নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন, সেই ঘটনায় সমালোচিত হচ্ছেন।

এক সাক্ষাৎকারে মালালা বলেছিলেন, আমি এখনো বুঝে উঠতে পারি না যে লোকজন কেন বিয়ে করে! আপনি যদি কাউকে আপনার জীবনে চান, তাহলে বিয়ের কাগজপত্রে আপনাকে সই করতে হবে কেন; কেন মানুষ একত্রে থাকতে পারে না?

এবার মালালা বলেছেন, বিয়ে নিয়ে তার দুশ্চিন্তা ছিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

২৪ বছর বয়সী মালালা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেছেন, আমার উদ্বেগ সত্য ছিল। বিশ্বজুড়ে অনেক মেয়ে বাল্যবিয়ের এবং বিয়েবিচ্ছেদের শিকার হয়েছে … ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতার কারণে এই উদ্বেগ ছিল বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

তবে মালালা বলেছেন, তিনি খুবই ভাগ্যবান। কারণ, এমন একজনকে স্বামী হিসেবে পেয়েছেন, যিনি তার মূল্য বোঝেন।
সূত্র : বিবিসি।

ইউরোপের ঘরেই অর্ধেক নোবেল


আপডেট: ১:৫৫:২১, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
ইউরোপের ঘরেই অর্ধেক নোবেল

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

নোবেল পুরস্কার। বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার এটি। সফল ও অনন্য সাধারণ গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রতিবছর সারা পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত পুরস্কারের বেশির ভাগই পশ্চিমা দেশগুলোর দখলে গেছে।

বিজয়ীদের অর্ধেকের বেশিই (৫২%) ইউরোপের নাগরিক। এর পরই রয়েছে উত্তর আমেরিকা। পুরস্কারের ৩২ শতাংশই এই মহাদেশের নিয়ন্ত্রণে। মাত্র ৭ শতাংশ বিজয়ী নিয়ে তৃতীয় স্থানে এশিয়া। এরপর যথাক্রমে রয়েছে আফিকা (৩%), দক্ষিণ আমেরিকা (১%) ও ওসেনিয়া (২%)।

একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পুরস্কার পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২০ পর্যন্ত ২৮১টি পুরস্কার পেয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশটি। এরপর রয়েছে ইউরোপের ব্রিটেন, ৮৮টি। ৮৩টি পুরস্কার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি।

এ বছরও জমে উঠেছে নোবেল আসর। পুরোদমে চলছে পুরস্কার ঘোষণা। ছয় ক্যাটাগরির মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচ ক্যাটাগরির পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার লড়াইয়ের মাধ্যমে শান্তিতে নোবেল জিতে নিয়েছেন দুই সাংবাদিক ফিলিপাইনের মারিয়া রেসা ও রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ।

এ নিয়ে এ বছর বিজয়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ জনে। অর্থনীতির পুরস্কার প্রদানের মধ্যদিয়ে আগামী সোমবার শেষ হবে এ বছরের আসর।

১৯০১ সালে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাশাস্ত্র, সাহিত্য ও শান্তি মোট পাঁচ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান শুরু হয়। সেই হিসাবে ২০২১ পর্যন্ত এই পুরস্কারের বয়স ১২০ বছর। এ শতাব্দীকালের বেশি সময় ধরে মোট ৬০৮টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আর পুরস্কার বিজয়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৭২ জনে।

অন্তত চারজন ব্যক্তি দুইবার করে নোবেল পেয়েছেন। এর মধ্যে যার নাম সবচেয়ে খ্যাত, তিনি হলেন মাদাম কুরি। তিনি ১৯০৩ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান তেজস্ক্রিয়তা সংক্রান্ত গবেষণার জন্য। আর ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান পোলোনিয়াম এবং রেডিয়াম, এই দুটি ধাতু আবিষ্কারের জন্য।

এ ছাড়া খ্যাতনামা আরও কয়েকজন নোবেল লরিয়েটের মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন (১৯২১), কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (১৯৬৪) ও মহামতি নেলসন ম্যান্ডেলা (১৯৯৩)।

সম্প্রতি নোবেলে নারীর সংখ্যা বাড়লেও কিছু কিছু পুরস্কারে এখনো নারীরা পিছিয়ে আছেন। নোবেল জয়ের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে বড় একটা ব্যবধান রয়েছে। বিজয়ীদের ৯০ শতাংশই পুরুষ। ২০২০ সালে মোট ১১ জনের মধ্যে মাত্র চারজন ছিলেন নারী। চলতি বছর এই ব্যবধান আরও বেশি।

এখন পর্যন্ত মোট ১০ বিজয়ীর মধ্যে মাত্র একজন নারী। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার নোবেলের মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত একটি পুরস্কার। ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত দুজন নারী এই পুরস্কার পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞানে এ পর্যন্ত পেয়েছেন তিনজন। রসায়নে পেয়েছেন পাঁচজন।

সাহিত্যে নোবেল পদকজয়ী প্রথম মহিলা সাহিত্যিক ছিলেন সুইডিশ লেখিকা সেলমা লেগারলফ। তিনি ১৯০৯ সালে এই পদক লাভ করেন। অন্যদিকে প্রথম আমেরিকান নারী হিসাবে সাহিত্যে যিনি নোবেল পদক পান তিনি হলেন টনি মরিসন। শান্তিতে নোবেল জয়ী প্রথম নারী ছিলেন অস্ট্রিয়ার বার্থা ভন সাটনার।

অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী একমাত্র নারী হলেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ এলিনর অস্ট্রম। ২০০৯ সালে আরেক অর্থনীতিবিদ অলিভার ই. উইলিয়ামসনের সঙ্গে যৌথভাবে এই পদক লাভ করেন এলিনর। মা ম্যারি কুরির অসমাপ্ত কাজ নিয়ে উচ্চতর গবেষণা করে রসায়নে নোবেল পদক পান তার মেয়ে আইরিন কুরিও।

নানা নাটকীয়তায় শেষ হলো জলবায়ু সম্মেলন কপ ২৬


আপডেট: ১:৫২:০৫, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
নানা নাটকীয়তায় শেষ হলো জলবায়ু সম্মেলন কপ ২৬

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ২৬ শনিবার গভীর রাতে (বাংলাদেশ সময়) নাটকীয়ভাবে শেষ হয়েছে। এবারের সম্মেলন ঘিরে শেষ মুহূর্তে চুক্তি হলেও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কতগুলো ইস্যু অমীমাংসিতই রয়ে গেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে সীমাবদ্ধ রাখতে ধনী দেশগুলো অঙ্গীকার করলে কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব, তা নিয়ে সন্দেহ করছেন বিশ্লেষকরা। পরিবেশবাদী আন্দোলনকারীরাও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এবারের জলবায়ু সম্মেলনের অর্জনকে ‘ঠুনকো বিজয়’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতি অলোক শর্মা। আর চুক্তি প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে তা যথেষ্ট নয়। খবর এপি, এএফপি, বিবিসি ও রয়টার্সের

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে ধরিত্রী রক্ষায় বিশ্বনেতারা একমত হয়েছেন। কয়লাসহ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনতেও তারা প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এসব ব্যাপারে বিশ্বনেতারা চুক্তিতে সম্মত হয়েছেন। কার্বন নিঃসরণ কমানো, জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এবং সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধ করতে ২০০টি দেশ একমত পোষণ করেছে। কপ২৬-এর অর্জনকে ইতিবাচক হিসাবে দেখলেও সার্বিকভাবে এটিকে ‘ঠুনকো বিজয়’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতি অলোক শর্মা। শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করে অলোক শর্মা আরও বলেন, কঠিন কাজ এখন শুরু হলো। আমরা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে সীমিত রাখার লক্ষ্য টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছি। চুক্তি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিস। তারা বলছেন, চুক্তিটিতে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার লক্ষ্যটাই কেবল টিকিয়ে রাখা হলো।

যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়, ধনী দেশগুলো ২০২০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বার্ষিক জলবায়ু তহবিল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। আগামী বছর জাতিসংঘ কমিটির অগ্রগতি নিয়ে প্রতিবেদন দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে ২০২২, ২০২৪ ও ২০২৬ সালে সরকারগুলোর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের ওপর জোর দেয় যুক্তরাজ্য। জলবায়ু সম্মেলনে বলা হয়, তহবিল সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান কীভাবে করা হচ্ছে তা খুব জরুরি। কারণ, ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক উষ্ণতাজনিত ঝুঁকি সীমিত করতে দেশগুলো নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে কি না, তা এর মধ্য দিয়েই নির্ধারণ হবে।

জলবায়ু সম্মেলনের চূড়ান্ত চুক্তিতে শেষ মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছে ভারত ও চীন। তাদের পক্ষ থেকে কয়লার ব্যবহার ‘ফেজ আউটের’ পরিবর্তে ‘ফেজ ডাউন’ করার কথা বলা হয়। শেষ পর্যন্ত তা অনুমোদন পেলেও অনেক দেশ এতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। এদিকে দাবি মেনে জলবায়ু অভিযোজনের জন্য অর্থায়ন ২০২৫ সালের মধ্যে দ্বিগুণ করতে ধনী দেশগুলোর প্রতি ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর প্রধানরা আহ্বান জানিয়েছেন। কপ২৬ সম্মেলনের ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কয়লা ব্যবহারকারী দেশ চীন ও ভারতকে কয়লার ব্যবহার কমাতে হবে। ৪০টিরও বেশি দেশ কয়লার ব্যবহার কমিয়ে আনতে চুক্তি সই করেছে।

গ্লাসগো সম্মেলনে প্রধান অ্যাজেন্ডা ছিল বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ ও পরিবেশ রক্ষা করা। এ কারণে শহর ও বিভিন্ন এলাকায় সবুজায়নের ওপর জোর দিতে হবে। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এমিলি সুকবুর্গ বলেন, পরিবেশ রক্ষার জন্য আমরা কাজ করলে পরিবেশও আমাদের সহায়তা করবে। দ্য ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্টসের প্রধান নির্বাহী ক্রেগ বেনেট বলেন, বন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা এখন গতিশীল হয়েছে।

বন উজাড় স্থগিত করার লক্ষ্যে শতাধিক দেশ চুক্তি সই করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই বনায়ন নিয়ে সচেতনতা না বাড়ালে বন উজাড় বন্ধ কখনোই সম্ভব নয়। স্টকহোম এনভায়রনমেন্ট ইনস্টিটিউটের টবি গার্ডনার বলেন, কপ২৬ সম্মেলনের ঘোষণা সফল করতে হলে গ্রাহকদের পণ্যের জন্য আরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। গ্লাসগোর স্ট্রাহক্লাইড বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাথিউ হ্যানন বলেন, কার্বন নিঃসরণ শূন্যে আনতে পারলে জীবনযাপন আরও উন্নত করা সম্ভব।

স্বল্পোন্নত ৪৭টি দেশের জোট-এলডিসি গ্রুপের নেতা সামিটের সভাপতি সোনম ওয়াংদি জানান, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে তার দেশ ভুটানের দায় নেই বললেই চলে। বিভিন্ন গাড়ি ও বাড়ি থেকে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়ে থাকে, এর তুলনায় অনেক বেশি কার্বন শোষণ করে দেশটি। বিশাল বন সে কার্বনগুলো শুষে নেয়। অথচ বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ার কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে আছে ভুটান। উষ্ণতা বাড়ার কারণে হিমালয়ের হিমবাহ গলে বন্যা ও ভূমিধস হচ্ছে। গ্রামগুলো তছনছ হয়ে যাচ্ছে। ওয়াংদি আরও বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে দায় না থাকার পরও আমাদের মারাত্মকভাবে ভুগতে হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য সহায়তা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

এক দশক আগে বিশ্বের ধনী দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দরিদ্র দেশগুলোকে ২০২০ সাল নাগাদ বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়া হবে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি তারা ধরে রাখতে পারেনি। এ তহবিলে শতকোটি ডলার বার্ষিক ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। বন্যা ও খরার জন্য আগাম সতর্কতাব্যবস্থা স্থাপনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের জন্য দরিদ্র দেশগুলো যে সহায়তা পায়, তাও যৎসামান্য।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা অন্য দেশগুলোও আলাদা করে তাদের ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে সতর্ক করেছে। তারা বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ঝড়, হারিকেন কিংবা দুর্ভিক্ষজনিত সব পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা তাদের নেই।

বিশ্ব ক্রমাগত উষ্ণ হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দুর্যোগে মানুষের প্রাণহানির ঘটনা চলতে থাকবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে থাকলে গ্রামগুলোও পানিতে বিলীন হতে থাকবে। খুব কম কার্বন নিঃসরণের পরও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতে দেশগুলো আছে, তারা আলাদা তহবিল গঠনের দাবি জানিয়েছেন। অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ করে জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা ধনী দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে তহবিলে অনুদান দিতে হবে। অর্থাৎ, ইতোমধ্যে যে ক্ষতি তারা করে ফেলেছে, সেগুলোর মাশুল হবে এ তহবিল।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান ও ইউরোপের পশ্চিমাঞ্চলের একটি বড় অংশজুড়ে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১২ শতাংশের বসবাস। অথচ এ দেশগুলো বিশ্বের মোট কার্বন নিঃসরণের ৫০ শতাংশের জন্য দায়ী। ১৭০ বছর ধরে জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে দেশগুলো। এ সময়ের মধ্যে ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বেড়েছে বৈশ্বিক উষ্ণতা। আর এ কারণে বিশ্বে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ, বন্যা, খরা ও দাবানলের ঘটনা ঘটছে।

বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৮ শতাংশের বসবাস চীনে। ১৮৫০ সাল থেকে গোটা বিশ্বে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে, তার প্রায় ১৪ শতাংশের জন্য দায়ী দেশটি। এখন পর্যন্ত চীন বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন নির্গমনকারী দেশ। চলতি বছর মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরিত হয়েছে, তার ৩১ শতাংশের জন্য চীন দায়ী। গ্লাসগো সম্মেলনে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য জলবায়ু তহবিল গঠনের ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে চীন। তবে এ তহবিলে অনুদান দেওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত দেশটিকে কোনো চাপ দেওয়া হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দাবি, ভারতের মতো দেশগুলো কার্বন নিঃসরণ ঠেকাতে আরও বেশি পদক্ষেপ না নিলে বিশ্ব কখনোই উষ্ণতা বৃদ্ধিজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারবে না। তবে ভারত সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে, ২০৭০ সাল নাগাদ কার্বন নিঃসরণ ‘নিট জিরো’তে নামিয়ে আনবে তারা। এর জন্য কয়লার ব্যবহার বন্ধ করে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিব্যবস্থা চালুর জন্য আরও অনেক অর্থসহায়তার প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে দেশটি।

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েই মিয়ানমার ছাড়লেন সেই মার্কিন সাংবাদিক


আপডেট: ১:৪৮:৪০, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েই মিয়ানমার ছাড়লেন সেই মার্কিন সাংবাদিক

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

অভিবাসন আইন লঙ্ঘন, বেআইনি যোগাযোগ এবং সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ভিন্নমতকে উসকে দেওয়ার দায়ে মিয়ানমারে মিয়ানমারে ১১ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার তিন দিন পর মুক্তি পেয়েছেন দেশটিতে কারাবন্দি মার্কিন সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টার।

তিনি সোমবার কারাগার থেকে মুক্তি পান বলে বলে তার নিয়োগকারী সংবাদমাধ্যম ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমারের প্রকাশক সনি সোয়ি টুইটারে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমার জানায়, ড্যানি ফেনস্টার কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর একটি ফ্লাইটে করে মিয়ানমার ত্যাগ করেছেন। তবে কীভাবে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন এবং কোন দেশের উদ্দেশ্যে ফেনস্টার মিয়ানমার ছেড়েছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি গণমাধ্যমটি।

ফেনস্টারের বিরুদ্ধে আনা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন, বেআইনি যোগাযোগ এবং সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ভিন্নমতকে উসকে দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত শুক্রবার তাকে  এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে তিনি কীভাবে মুক্তি পেলেন তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মুক্তির ব্যাপারে ফেনস্টারের পরিবার, ইয়াঙ্গুনে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস এবং মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক পরিষদের মুখপাত্রের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

৩৭ বছর বয়সি ফেনস্টার ছিলেন ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমারের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। এ বছরের মে মাসে মিয়ানমার ছাড়ার ফ্লাইটে উঠতে গিয়ে ইয়াঙ্গুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক হন তিনি।

মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি গণমাধ্যমকর্মীসহ সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী কয়েকশ বন্দিকে মুক্তি দিলেও সেই তালিকায় ফেনস্টারের নাম ছিল না।

বাংলাদেশিদের জন্য ভারতে কোয়ারেন্টাইনমুক্ত ভ্রমণ সুবিধা শুরু


আপডেট: ১:৪৫:৫৫, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতে কোয়ারেন্টাইনমুক্ত ভ্রমণ সুবিধা শুরু

তৃতীয় বাঙলা ডেস্কঃ

বাংলাদেশিদের জন্য কোয়ারেন্টাইনমুক্ত ভ্রমণ সুবিধা দিচ্ছে ভারত। প্রায় ২০ মাস পর ভারতে এই সুবিধা পাচ্ছেন বাংলাদেশসহ আরও ৯৮টি দেশের ভ্রমণকারীরা। সোমবার টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব দেশের পূর্ণডোজ টিকা নেওয়া ভ্রমণকারীদের ভারতে গিয়ে আর কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না। তবে পৌঁছানোর পর প্রথম ১৪ দিন স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে তাদের।

ভারত সরকারে ঘোষণা অনুযায়ী, জাতীয়ভাবে অথবা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত টিকার পূর্ণডোজ গ্রহীতাদের সনদের স্বীকৃতির ক্ষেত্রে যেসব দেশের সঙ্গে ভারতের পারস্পরিক চুক্তি রয়েছে এবং যারা ভারতীয় নাগরিকদের ছাড় দিচ্ছে, সেসব দেশের ভ্রমণকারীদেরও একই সুবিধা দেবে ভারত।

গত ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত এ ধরনের দেশের সংখ্যা ৯৯টি, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। এখন থেকে এসব দেশের ভ্রমণকারীদের ভারতে পৌঁছানোর পর করোনা পরীক্ষার ঝামেলাতেও পড়তে হবে না।

প্রায় দেড় বছর সীমান্ত বন্ধ থাকার পর গত ১৫ অক্টোরব থেকে চার্টার্ড ফ্লাইটের পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছিল ভারত। ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয় বাণিজ্যিক ফ্লাইটের পর্যটকদের প্রবেশের সুযোগ।

এফবিসিসিআই ও ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বারের সমঝোতা


আপডেট: ১:২৪:৩৯, ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
এফবিসিসিআই ও ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বারের সমঝোতা

ফারিয়া নূর, প্যারিস থেকে

দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক সই করেছে দে‌শের ব্যবসায়ী‌দের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বার।

শুক্রবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বারের সভাপতি কাজী এনায়েত উল্লাহ নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন।

উভয় সংগঠনের মধ্যে চুক্তি সইয়ের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে জানতে চাইলে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ থেকে যারা ফ্রান্সে বিভিন্ন ব্যবসা করতে চান বা বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি করতে চান, তারা ব্যবসায়িক যে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বার বিষয়টি টেক কেয়ার করবে। অন্যদিকে ফ্রান্সের কেউ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে গিয়ে যে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে এফবিসিসিআই সেটি দেখভাল করবে।”

বাংলাদেশে বিনিয়োগের বহুমুখী সুবিধার কথা তুলে ধরে ফ্রান্সের ব্যবসায়ীদের প্রতি বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিক কাজী এনায়েত উল্লাহ বলেন, “এ চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে ফ্রান্স ও বাংলাদেশ উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে যে শক্তি অর্জিত হবে তাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে আমরা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ফ্রান্স তথা ইউরোপে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে যে কোনো ধরনের সমস্যা মোকাবেলায় আমি এবং আমার সংগঠন কাজ করবো। আমরা সমৃদ্ধিময় বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি।”

ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বারের প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা দেন এফবিসিসিআই ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এ মোমেন, সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু এবং মো. আমিনুল হক শামীম, সাবেক সহ সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, পরিচালক শমী কায়সার, প্রীতি চক্রবর্তী, মো. সাইফুল ইসলাম, খান আহমেদ শুভ, ড. ফেরদৌসী বেগম, বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক জেসমিন আক্তার ও ফকরুল আকম সেলিম, শরিফ আল মমিন, টি এম রেজা, সুব্রত ভট্টাচার্য শুভ, তাপস বড়ুয়া রিপন ও এমদাদুল হক স্বপন।

এখন বিশ্ববাসীর উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই: শেখ হাসিনা


আপডেট: ৫:১০:২২, ১২ নভেম্বর ২০২১, শুক্র বার
এখন বিশ্ববাসীর উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই: শেখ হাসিনা

গোলাম মুজতবা ধ্রুব

বৃহস্পতিবার ‘ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর ক্রিয়েটিভ ইকনমি’র প্রথম পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

উগান্ডার ‘মোটিভ ক্রিয়েশন’ নামে একটি সংগঠন প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার পেয়েছে। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা জাবেথ কাওয়ানগুজু এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দপ্তরে এ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পুরস্কার প্রবর্তনের জন্য জাতিসংঘ সংস্থাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ইউনেস্কো-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত বিশ্ব মানবতা ও শান্তিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের প্রতি সবচেয়ে উপযুক্ত সম্মান।”

বাংলাদেশের জাতির পিতার বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউনেস্কোর আদর্শের সঙ্গে তার মিল দেখান বঙ্গবন্ধুকন্যা।

শেখ হাসিনা বলেন, “তার জ্যেষ্ঠ কন্যা হিসেবে খুব কাছ থেকে তাকে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। সেজন্যই আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি যে, তিনি ইউনেস্কোর একজন একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।

“ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রসার এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তার কর্মোদ্যোগসমূহ ইউনেস্কোর বিভিন্ন আদর্শের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।”

বিশ্ব মঞ্চে শিক্ষা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতিগত সিদ্ধান্ত তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতা অর্জনের পর পরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক করেন।

“তিনি বিশ্বাস করতেন শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যয় সর্বোত্তম বিনিয়োগ এবং তিনি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক ঘোষণা করেন।

“যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সদ্য-স্বাধীন দেশে নানা ধরনের অর্থনৈতিক সমস্যা থাকা সত্তে¡ও তিনি প্রায় ৩৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় দেড় লাখ শিক্ষক ও কর্মচারীর চাকুরি জাতীয়করণ করেন।”

বর্তমান সরকার তারই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “শিক্ষায় বিনিয়োগ সুফল দিতে শুরু করেছে। গত এক দশকে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে।”

তিনি জানান, মাথাপিছু আয় তিনগুণ বেড়ে ২ হাজার ৫৫৪ ডলার হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২০ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমেছে। মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখ জীবিত জন্মে ১৭৩ এবং মানুষের গড় আয়ু বেড়ে হয়েছে ৭৩ বছর। বাংলাদেশ এ বছর স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার সকল শর্ত পূরণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমার সরকারও শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেছে। আমরা দেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেছি।”

তিনি জানান, দেশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৩৩ হাজার। এর মধ্যে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি সরকার পরিচালিত। ২০১০ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই দেওয়া হচ্ছে।

এখন প্রতি বছর প্রায় ৪০ কোটি বই বিতরণ করা হয়। পিছিয়ে-পড়া এলাকাগুলোতে প্রায় ২৯ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও বিশ্ববাসীকে জানান শেখ হাসিনা।

এসব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকাতে ‘ব্যাপক সহায়তা’ করেছে এবং প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক স্তরে ছাত্রভর্তির হার ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

২০১৭ সালে স্কুলে ছেলে-মেয়ের অনুপাত বৃদ্ধি পেয়ে ৫৩:৪৭-এ দাঁড়িয়েছে, যা ২০০৯ সালে ছিল ৩৫:৬৫। ক্রমবর্ধমান হারে নারী শিক্ষা প্রসারের ফলে বাল্য বিবাহের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বের সমর্থনের  জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “কয়েক দশক ধরে আমাদের দেশের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সদয় সমর্থনকে আমরা বিনীতভাবে স্বীকার করি।

“আমরা এখন আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের উন্নতির জন্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে অবদান রাখতে চাই।”

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়নের জন্য সৃজনশীল অর্থনীতির আন্তর্জাতিক বছরের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের অগ্রাধিকারের এই ক্ষেত্রগুলোতে ইউনেস্কোর প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে বাংলাদেশ বিশেষভাবে ধন্য এবং সম্মানিত।”

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি দেওয়ায় কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’ -এ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

বাংলাদেশে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও একইসঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপানের সঙ্গে ইউনেস্কো আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পৃক্ত বলেও জানান শেখ হাসিনা।

মুজিববর্ষের এই মাহেন্দ্রক্ষণে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার প্রবর্তন এবং বিতরণের জন্য ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজুলে-কে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৩ সালের ২৩ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদের দেওয়া ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।

জাতির পিতার নামে পুরস্কার প্রবর্তনে সহায়তা করায় এসময় তিনি ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ডের প্রতিটি সদস্য এবং সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বক্তব্য শেষ করার আগে ইউনেস্কোর ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রাক্কালে ইউনেস্কোর সব সদস্য রাষ্ট্র এবং ইউনেস্কোর কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর সৌজন্য 

ফ্রান্সে ত্রিশের কম বয়সীদের মডার্না না দেওয়ার পরামর্শ


আপডেট: ৩:০৯:৪৭, ১১ নভেম্বর ২০২১, বৃহঃ বার
ফ্রান্সে ত্রিশের কম বয়সীদের মডার্না না দেওয়ার পরামর্শ

তৃতীয় বাঙলা ডেস্ক :

স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে ত্রিশ বছরের কম বয়সীদের মডার্নার তৈরি করোনাভাইরাসের টিকার বদলে সম্ভব হলে ফাইজারের টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ফ্রান্সের স্বাস্থ্য বিভাগ।

দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ (এইচএএস) বলছে, সেখানে এক গবেষণায় মডার্নার টিকার কারণে হৃৎপেশীর প্রদাহের (মায়োকার্ডিটিস) ঝুঁকির তথ্য এসেছে, যদিও তা খুব বিরল।

৩০ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে ফাইজারের টিকায় ওই ঝুঁকি মডার্নার তুলনায় এক পঞ্চমাংশ বলে জানিয়েছে এইচএএস।

এর আগে কানাডা, ফিনল্যান্ড, সুইডেনও কম বয়সীদের মডার্নার টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতার কথা জানিয়েছিল।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইএমএ গত মাসে মডার্নার টিকার বুস্টার ডোজের অনুমোদন দেয়। ১৮ বছরের বেশি বয়সী যারা কমপক্ষে ছয় মাস আগে মডার্নার টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিয়েছেন, তাদের ওই তৃতীয় ডোজের অনুমতি দেওয়া হয়।

ইউরোপীয় এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা চলতি বছরের শুরুতে বলেছিল, মডার্না ও ফাইজার- দুই টিকার ক্ষেত্রেই হৃৎপেশীর প্রদাহের ঝুঁকি বাড়ার যোগাযোগ মিলেছে গবেষণায়, যদিও তা বিরল। যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও একই ধরনের কথা বলেছিল।

 

ফ্রান্সে প্রধানমন্ত্রীর আগমনে দেশকে যারা কলুষিত করতে চায় তাদের ছবিসহ আমি তালিকা চাই – নিখিল


আপডেট: ৮:৩৯:০৫, ০৯ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
ফ্রান্সে প্রধানমন্ত্রীর আগমনে দেশকে যারা কলুষিত করতে চায় তাদের  ছবিসহ আমি তালিকা চাই – নিখিল

তৃতীয় বাংলা প্রতিবেদক :

দীর্ঘ ২২ বছরের বিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্রান্সে পাঁচ দিনের আনুষ্ঠানিক সফরে এসেছেন। ফ্রান্স আগমন উপলক্ষে ফ্রান্স যুবলীগের কর্মী সভা সোমবার বিকেলে প্যারিসের মেরি দ্য অভারভিলাস্থ একটি হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে কর্মিসভায় ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সভাপতি এমএ কাশেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন কয়েছের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সর্ব ইউরোপিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান,যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রাশিদ,ডক্তর সাজ্জাদ হায়দার,সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল কবির,গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিল্টন,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী সারোয়ার হোসেন, উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সফেদ আশফাক তুহিন,কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মুক্তার হোসেন চৌধুরী কামালও সাজু সাহা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন,জননেত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে বিদেশের মাটিতে যারা দেশকে কলুষিত করতে চায় ,দেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়,দেশ প্রেমিক শক্তিকে অপদস্থ করতে চায় তাদের তালিকা করুন। তাদের ছবিসহ আমি তালিকা চাই।

তিনি বলেন,দেশকে যারা ভালোবাসবেনা,দেশের মানুষকে যারা ভালোবাসবেনা তাদের বাংলাদেশে থাকার কিন্তু অধিকার থাকেনা।

বিয়ানীবাজার পৌর উন্নয়ন সংস্হা ইউকে’র ১২ ডিসেম্বর সম্মেলন


আপডেট: ২:০৯:৪৮, ০২ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গল বার
বিয়ানীবাজার পৌর উন্নয়ন সংস্হা ইউকে’র  ১২ ডিসেম্বর সম্মেলন


আলী আহমেদ বেবুল,ইউকে থেকে
বিয়ানীবাজার পৌর উন্নয়ন সংস্হার আসন্ন সম্মেলন ও নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বিয়ানীবাজার পৌরবাসীর সাথে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও নির্বাচন কমিশনের এক মতবিনিময় সভা রবিবার ৩১ অক্টোবর পূর্ব লন্ডনের গ্রান্ড রসইতে অনুষ্টিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার  আসুক আহমদ ও সভা পরিচালনা করেন কমিশন সদস্য করিম উদ্দিন।
স্বতঃস্ফূর্ত উপস্হিতি বিয়ানীবাজার পৌর উন্নয়ণ সংস্হার একটি অবাধ ও সুষ্ট নির্বাচন ও সম্মেলন এর পক্ষে সকলেই  নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন।নির্বাচন কমিশন সকলের মতামতের ভিত্তিতে সম্মেলন ও নির্বাচনের তারিখ প্রদান করে পূর্ণাঙ্গ  তফসিল ঘোষনা করেন।সভায় সর্বসম্মতিতে কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে এম মাসুদ আহমদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল শফিক, আলহাজ্ব বাজিদুর রহমান,,মুজিবুর রহমান এখলাছ,রফিক উদ্দিন,দেলোয়ার হোসেন,মিছবা আহমদ,আলী বেবুল,সাহেদ আহমদ,আকবর হোসেন রবিন,এম মাসুদ আহমদ,আতিক হোসেন,মোঃ নুরুজ্জামান,শামীম আহমদ,অজি উদ্দিন,আব্দুল বাতিন,আব্দুস সালাম,বেলাল উদ্দিন,মুজিব রহমান,খালেদ আহমদ ডালিম,আব্দুল কুদ্দুস রানা প্রমুখ।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন হাফিজ নাজিম উদ্দিন,মুহিবুর রহমান চুনু,আব্দুল মালিক,রহিম উদ্দিন,তোফায়েল আহমদ পারভেজ,ফয়জুল ইসলাম,ইকবাল হোসেন,তারেক আহমদ,আবু বক্কর,হোসেন আহমদ,আবুল হাসান,মহি উদ্দিন ফয়ছল,আনোয়ার হোসেন সোলেমান,এবাদ উদ্দিন, শামীম আহমদ,সাকের তাপাদার,সাইফুল ইসলাম,জামাল আহমদ,আমিনুর রহমান সেলিম,রহিম উদ্দিন রিপন,নাসির উদ্দিন,সুজন মিয়া,কামাল হোসেন বুলবুল,জয়নাল উদ্দিন,সাহেদ,কিবরিয়া ও তারিন আহমদ।

সংস্হার উপদেষ্টা মরহুম রউফুল ইসলাম সহ সকল মরহুমের রুহের মাগফেরাত  কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন হাফিজ নাজিম উদ্দিন।সভায়  নির্বাচন কমিশন আগামী ১২ ডিসেম্বর, রবিবার পৌর উন্নয়ন সংস্হার সম্মেলন ও নির্বাচনের তারিখ প্রদান করে পূর্ণাঙ্গ  তফশীল ঘোষণা করেন। মেম্বারশীপ জমাদানের শেষ তারিখ ১৪ নভেম্বর,রবিবার, সময়: বিকাল ৬-৯ ঘটিকা। স্হান: স্টিফোর্ড কমিউনিটি সেন্টার ই১।
(মেম্বারশীপ ফি: আজীবন সদস্য ১০০ পাউন্ড।এক মেয়াদের জন্য সাধারণ সদস্য ফি ১০ পাউন্ড), মনোনয়নপত্র  জমা:  ২১ নভেম্বর, রবিবার, সময়: ৬-৮ ঘটিকা স্হান: ২২০ জুবিলি স্ট্রিট , লন্ডন ই১,মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার: মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর, সময়: ৬-৮ ঘটিকা ,স্হান: ২২০ জুবিলি স্ট্রিট , লন্ডন ই১

মনোনয়ন ফি সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে ২০০ পাউন্ড ৫জন সহ-সভাপতির প্রতিটি পদে ১০০ পাউন্ড, ২ জন সহ-সাধারণ সম্পাদকের প্রতিটি পদে ১০০ পাউন্ড, সহ-কোষাধ্যক্ষ,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক,ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, মেম্বারশীপ সেক্রেটারির প্রতিটি পদে ১০০ পাউন্ড, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, সহ-ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, সহ-মেম্বারশীপ সেক্রেটারির প্রতিটি পদে ৫০ পাউন্ড এবং ১১টি নির্বাহী সদস্য পদের প্রতিটিতে ৫০ পাউন্ড মনোনয়ন ফি ধার্য করা হয়েছে।

প্যারিসের ক্যাথসীমায় রয়েল ফুড রেস্টুরেন্টের উদ্ভোধন


আপডেট: ৩:৫৩:২০, ২৬ অক্টোবর ২০২১, মঙ্গল বার
প্যারিসের ক্যাথসীমায় রয়েল ফুড রেস্টুরেন্টের উদ্ভোধন

আবুল কালাম মামুন  :
ব্যাপক আয়োজনের মধ্যে দিয়ে প্যারিসের বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা ক্যাথসীমাতে রয়েল ফুড রেস্টু‌রেন্ট এর  শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে  |

রবিবার বিকেলে বিপুল সংখ্যাক প্ররাসীর স্বতস্ফুর্ত উপস্থিতিতে এ প্রতিস্টানের উদ্ভোধন করা হয় |

রয়েল ফুড রেস্টুরেন্টের  উদ্বোধন উপলক্ষে এক অনাড়ম্ভর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে আমন্ত্রিত অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আব্দুল হক, মিহাজুল ইসলাম, বাদল চন্দ্র, আবু তাহির, আবুল হোসেন সিদ্দিকিসহ আরো অনেকে ৷

এসময় বক্তারা বলেন, প্যারিসসহ ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে দিনে দিনে বাংলাদেশিদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি পাচ্ছে যা কমিউনিটির জন্য ইতিবাচক। সততা ও নিষ্ঠার সাথে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তারা বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে  কতৃপক্ষ উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যথাসাধ্য মানসম্মত ও চাহিদার মতো সার্ভিস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ৷ পরে প্রতিষ্টানের সফলতা কামনা করে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

প্যারিসের রিপাবলিক চত্বরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন


আপডেট: ২:১০:৫৪, ২৫ অক্টোবর ২০২১, সোম বার
প্যারিসের রিপাবলিক চত্বরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

এনায়েত হোসেন সোহেল

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, মন্দির, পূজামণ্ডপ, বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়   মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ শনিবার বিকেলে প্যারিসের রিপাবলিক চত্বরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা পরিষদ-প্যারিস ফ্রান্সের উদ্যোগে   অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আয়োজিত সমাবেশে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক কারাগারের রোজনামোচা” গ্রন্থের ফরাসি অনুবাদক ফিলিপ বেনোয়া।

মিথুন গুপ্ত ও অমিত দেবনাথের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সংগঠক ও সংস্কৃতিজন সুব্রত ভট্টাচার্য শুভ, বিশিষ্ট নির্মাতা প্রকাশ রায়, বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু জ্যোতিসার ভিক্ষু, সাংবাদিক দেবেশ বড়ুয়া, সংঘটক বিকাশ রায়, তপন মিত্র, কিশোর বিশ্বাস, রতন রায়, পিন্টু লাল বিশ্বাস, রঞ্জিত দাস, সুফল অধিকারী, শুভেন্দু বিকাশ সেন, অনিমেষ, বাসুদেব গোস্বামী, দিব্য রায়, শ্যামল দাস ও সমিরন ভট্টাচার্য প্রমুখ।

আয়োজিত সমাবেশে ফ্রান্স প্রবাসী সংখ্যালঘু স্বার্থবান্ধব বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃৃন্দসহ অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষজন অংশ নেন।

ঐক্যবদ্ধভাবে সাম্প্রদায়িক আক্রমনের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহবান জানিয়ে সমাবেশে অংশ নেওয়া বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা-নিপীড়ন ও লুণ্ঠনকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
ন্ব্যাক্কারজনক এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা-নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশেে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ কর’, ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার’, ‘এক জাতি এক প্রাণ ৭২-এর সংবিধান’ ‘যদি তুমি মানুষ হও, ধর্মান্ধতা রুখে দাও’, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ চলবে’, ‘সাম্প্রদায়িক মৌলবাদ নিপাত যাক’, ‘ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র নয়, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই’, ‘রক্তাক্ত শারদ’ লেখা সম্বলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড এবং স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বর।